এলাকায় জমাজমি সংক্রান্ত বিচার সালিশ করার
কারণে আমরা হত্যা করেছি শফিউর রহমানকে। শফিউর রহমান রাতে শ্যামকুড় বাজার
থেকে বাইসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে নয়াপাড়া গ্রামের মাঠের মধ্যে আসলে
সাইকেল থেকে ফেলে দিয়ে তাকে ছুরি ও দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এভাবেই
হত্যাকারীরা হত্যাকাণ্ডের কথা বর্ণনা দিয়েছেন। মামলার তদনত্মকারী কর্মকর্তা
এস,আই শহিদুল্লাহ জানান উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান
চালিয়ে হত্যাকারী, অর্থের যোগানদাতাসহ ৮
জনকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে এক হত্যাকারীর মা কুলচুম
বেগমকে। এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১১ জুলাই) রাত সাড়ে
৯টার দিকে মহেশপুরের শ্যামকুড় ইউনিয়নের ৫ ওয়ার্ড কৃষকলীগ সভাপতি শফিউর
রহমান (৪৮) শ্যামকুড় বাজার থেকে বাইসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার সময় নয়াপাড়া
গ্রামের মাঠের মধ্যে পৌঁছালে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায়
শনিবার রাতে শ্যামকুড় ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের তোতা মিয়ার পুত্র খবির
(২২), খোদাবন্দি পাড়ার আনারুল ইসলামের পুত্র মামুন (২২), শরিষাঘাটা গ্রামের
মেঘার পুত্র শফিকুল ইসলাম (২০), নিজাম উদ্দীনের পুত্র লাবলুকে (২২) আটক
করে। এ সময় হত্যাকারী খবির উদ্দীনের মা কুলসুম বেগমকে (৪৫) জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে গত সোমবার ভোররাতে অর্থ যোগানদাতা শ্যামকুড়
ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র আব্দুল লতিফ (২৬) ও হত্যা
মামলায় নয়াপাড়া গ্রামের জাগোয়ার আলীর পুত্র বাদশা (২২), শ্যামকুড় গ্রামের
সাহেব আলীর পুত্র স্বপন (২২), নয়াপাড়া গ্রামের সমেষ আলীর পুত্র মজনু
রহমানকে (২৫) আটক করেছে। মহেশপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান,
শ্যামকুড় ইউনিয়নের ৫ ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি শফিউর রহমান মূল
পরিকল্পনাকারী ছিলো শ্যামকুড় ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের তোতা মিয়ার পুত্র
খবির ও খোদাবন্দি পাড়ার আনারুল ইসলামের পুত্র মামুন। তিনি আরো জানান, খবির ও
মামুন কয়েকজনকে অর্থের লোভ দেখিয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। probaha