মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১২

প্রিয়ভূমে বৃক্ষছায়ায় চিরনিদ্রায় হুমায়ূন

যে স্থানটি ছিল তার নিজের ‘জীবনের চেয়েও’ প্রিয় সেই নুহাশ পল্লীতেই সমাহিত হলেন নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদ।
নুহাশ পল্লীর লিচু তলাতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। দুপুর দেড়টায় নুহাশ পল্লীতে তার শেষ জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষ তার জানাজায় অংশ নেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তার লাশ নুহাশ পল্লীতে পৌঁছলে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
দূর-দূরান্ত থেকে হুমায়ূনের এই বাগানবাড়িতে এসে অশ্রুজলে লেখককে শেষ বিদায় জানালেন ভক্ত-পাঠক, বন্ধু-স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাসহ হাজারো মানুষ। আকাশও যেন বৃষ্টি ঝরালো তারই শোকে।

যাদের কাঁধে চেপে খাটিয়ায় শোয়া হুমায়ূন কবরে নামেন, তাদের একেবারে সামনে দেখা গেল লেখকের বড় ছেলে নুহাশকে। তার পরনের নীল পাঞ্জাবীও বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল একেবারে।

হুমায়ূনের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদের মেয়ে শীলা ও নোভা, দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তাদের দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত, লেখকের ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও আহসান হাবীব এবং তাদের দুই বোনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।