ঝিনাইদহের শৈলকুপা, মহেশপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজেরছাত্র রাশেদ মন্ডল (১৯), মহেশপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মজিবর রহমান মিজানের ছেলে রফিউদ্দীন (১০), ও কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রীলোচনপুর গ্রামের কৃষক আয়নাল হোসেন (৪০)।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ কামরুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার জীবননগর সড়কের ঈশ্বরবা জামতলা এলাকায় কৃষক আয়নাল হোসেন নিজের নছিমন উল্টে আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া পথে ১১টার তিনি মারা যান।
দুর্ঘটনায় নিহত আয়নালের ছেলে আল আমিন গুরুতর আহত হয়েছে। তার মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে বলে ওসি জানান।
এদিকে শৈলকুপা উপজেলার চড়িয়ারবিল এলাকায় দুপুরে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র রাশেদ মণ্ডল মারা যান। তিনি শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদ মন্ডলের ছেলে।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম শাহিন জানান, শুক্রবার বেলা ১০টার দিকে রাশেদ স্যালো ইঞ্জিন চালিত নসিমন যোগে আত্মীয় বাড়ি থেকে গ্রামে ফিরছিলেন। পথে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের চড়িয়ারবিল এলাকায় একটি ট্রাক পেছন থেকে নছিমরটিকে ধাক্কা দিলে রাস্তার খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে রাশেদ মারা যান।
এ দিকে মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, শুক্রবার দুপুর ১০টার দিকে মহেশপুর উপজেলার জলিলপুর গরুর গাড়ি ও পাওয়ার ট্রিলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে পাওয়ার ট্রিলার উল্টে কয়েকজন যাত্রী আহত হয়।
তারা হলেন গোপালপুর গ্রামের শিশু রফিউদ্দীন, মুজিবুর, মিজানুর রহমান, শিমুল, সুর্যদিয়া গ্রামের রফিকুল, ইউনুচ আলী ও হুজুর আলী।
আহতদের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হলে শিশু রফিউদ্দীন দুপুর ১২টার দিকে মারা যায়।
মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি তিন জনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে শৈলকুপা, কালীগঞ্জ ও মহেশপুর থানায় পৃথক মামলা হয়েছে।
