সাধারণ ধারনা অনুযায়ী শরীর চর্চা, শরীর গঠনে ভ’মিকা রাখলেও অপচয়কৃত
শক্তিকে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। । এই ধারণা থেকেই রাজশাহী প্রকৌশল ও
প্রযুক্তির বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের তিন ক্ষুদে বিজ্ঞানী যন্ত্রকৌশল
বিভাগের সাদ্দাত হোসেন রাজিব, মোস্তফা রিশাত কামাল এবং ইলেকট্রিক্যল
বিভাগের দিপু বিশ্বাস আবিষ্কার করল শরীর চর্চার যন্ত্র থেকে বিদ্যুৎ
উৎপাদনের কৌশল।
এই যন্ত্রের মাধ্যমে হাত এবং পায়ের উভয়ধরনের ব্যায়ামই সম্ভব। উভয়
পদ্ধতির মাধ্যমেই উৎপাদিত হবে বিদ্যুৎ। যা দিয়ে চলবে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।
প্রকল্পটি তৈরীর কাজে নিয়োজিত দলটি সাংবাদিকদের জানানঃ এ যন্ত্রের মাধ্যমে
প্রায় ৩০০ ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। যা দিয়ে ৭-৮ টা ফ্যান কিংবা ১৩-১৪ টা
এনার্জি বাল্ব জ্বলতে পারে। এ প্রকল্পটি তৈরী কারতে সময় লেগেছে প্রায় দেড়
বছর। সম্পূর্ন দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত এ যন্ত্রটি উৎপাদন খরচ হয়েছে
প্রায় ৭০০০ টাকা। যেটাকে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করলে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে
নিয়ে আসা সম্ভব। দলটির সদস্য রাজিব বলেন, “এ যন্ত্রটি ব্যায়ামাগারে
ব্যবহারের ফলে ব্যায়ামাগারের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ এ যন্ত্র থেকেই যোগান দেওয়া
সম্ভব। এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতিতেও এই প্রযুক্তি ব্যাবহার করে বিদ্যুৎ
উৎপাদন সম্ভব”।
শিক্ষকদের উদ্যোগে এ প্রকল্পটিকে নিয়ে রুয়েটের হিট ইঞ্জিন ল্যাবে
বৃহষ্পতিবার সকাল ১০টায় একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। যেখানে অন্যান্যদের
মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।
রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক ডঃ নীরেন্দ্রনাথ মুস্তাফী জানান “এ
প্রকল্পটিকে যদি বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা যায় তবে এটিও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে
উল্ল্যেখযোগ্য ভ’মিকার রাখতে পারে”
উপাচার্য ডঃ সিরাজুল করিম চৌধুরী বলেন “ প্রথমে শুনলে একটি ব্যাতিক্রম
মনে হল অবশ্যই একটা ভাল উদ্যোগ। যা কিছুটা হলেও বিদ্যুতে অবদান রাখবে ।” ::.বিডিটোয়েন্টিফোরলাইভ*
