শনিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১২

মহেশপুরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ উপজেলা স্ব্যস্থা কমল্পেক্স সাড়ে ৩ লাখ মানুষের জন্য ১ জন ডাক্তার

মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি৫০ শয্যায় উন্নতি হলেও চলছে আগের  মতোই খুড়িয়ে খুড়িয়ে।
উপজেলার সাড়ে ৩ লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য ১ জন ডাক্তার। অনেক রোগী চিকিৎসা সেবা না পেয়ে আরো অসুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরে যাচ্ছে। কর্তৃপক্সের অবহেলায়  মুল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে।
ভবন তৈরী করা হয়েছে ৫০ শয্যার, কিন্তু কার্যক্রম চলছে ৩১ শয্যার। সাড়ে ৩ লাখ মানুষের জন্য কর্মকর্তা সহ মাত্র  ৪ জন ডাক্তার রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর কর্মকর্তা ডাক্তার তাহাজ্জেল হোসেন প্রশাসনিক কাজে সব সময় ব্যস্ত থাকেন । ৩ জন ডাক্তারের মধ্যে ১ জন রয়েছেন ছুটিতে। ফলে ২ জন ডাক্তার রয়েছে বর্তমানে।
২ জন ডাক্তারের মধ্যে ১ জন ডাক্তার ২৪ ঘন্টা ইনডোর ও আউটডোর কাজ করে থাকেন। অন্য জন করেন পরের দিন। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সেবা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে। অনেক রোগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে  চিকিৎসা সেবা না পেয়ে কোয়াক চিকিৎসকদের  দ্বারস্থ হচ্ছেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সুত্রে জানা গেছে,  চিকিৎসক সংকট ভয়াবহ আকার ধারন করায় এ উপজেলার প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষাধিক মানুষ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিমুখ হয়ে ক্লিনিক মুখি হচ্ছেন। এ ছাড়া ডাক্তাররা স্থানীয় শহরের বাসিন্দা হওয়াই রুগীদের সাথে প্রায়ই   দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আর এম ও ডাক্তার নাসির উদ্দিন জানান, প্রতিদিন ১ জন ডাক্তার ইনডোর ও আউটডোরের রোগী দেখছেন। ফলে ২৪ ঘন্টায় ১ জন ডাক্তার দিয়ে এত বড় উপজেলার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার তাহাজ্জেল হোসেন জানান, ৫০ শয্যা উন্নতি করা হলেও চলছে ৩১ শয্যায়। ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০ জন ডাক্তার, ১৫ জন নার্স থাকার কথা। কিন্তু সেখানে আছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা সহ মাত্র ৩ জন ডাক্তার।একজন ছুটিতে থাকায়  ২ জন ডাক্তার দিয়ে চালানো হচ্ছে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। শুধু তাই না ঔষধ সরবরাহ অপ্রতুল। ::.শেষের খবর*