মহেশপুরনিউজ২৪:: ঝিনাইদহের শৈলুকপার কাতলাগাড়ী বাজারে গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় রাজনৈতিক
আধিপত্য বিসত্মার নিয়ে আওয়ামীলীগের দুগ্রুপে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ গুলি বর্ষণ করে। ৭ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষে আহত
হয়েছে অনত্মত ১৫ জন। ২ জন সদস্য আহত হয়।
এলাকাবাসী জানায় শৈলকুপার কাতলাগাড়ী বাজারে নিজেদের আধিপত্য বিসত্মারে
থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন ও থানা
যুবলীগের সাবেক সভাপতি জুলফিকার কায়সার টিপুর মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে
গতকাল সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কাতলাগাড়ী বাজারে উভয় গ্রুপের কর্মী সমর্থক ঢাল,
সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
কাতলাগাড়ী স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাবিবুর রহমান জানান,
আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ১৪ রাউন্ড
শর্টগানের গুলি বর্ষণ করা হয়। এ সময় পুলিশের গুলিতে ৭ জন গুলিবিদ্ধ হয় বলে
আহতরা জানায়। আহতরা হলো বাবলু, জহুর, লাবলু, জাহিদ, ওয়াহেদ, ইউনুস ও
আতিয়ার। তবে পুলিশের গুলিতে আহতের সংখ্যা আরো বেশি বলে জানায় টিপু গ্রুপের
কর্মসমর্থকেরা। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে উভয়পক্ষের সংঘর্ষের সময় কনস্টেবল আঃ
সালাম ও নায়েক মামুন আহত হয়। সংঘর্ষে ৭ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের অনত্মত ১৫
জন আহত হয়।
অপরদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই
রায়হান ও টিপু গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ইতমধ্যে বেশ কয়েকবার
ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, হামলা মামলার ঘটনাও ঘটেছে। গত শুক্রবার সারুটিয়া
ইউনিয়নের কীর্ত্তিনগর-ভুলন্দিয়া গ্রামের কিছু বিএনপি কর্মী ও রায়হান
গ্রুপের কিছু কর্মী আওয়ামীলীগের অপরপক্ষ টিপু গ্রুপে যোগদান করে। এ নিয়ে
উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তজনা চলছিল। রবিবার সন্ধ্যায় উভয়পক্ষ কাতলাগাড়ী
বাজারে নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখতে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
শৈলকুপা থানার ওসি শাহিদুল ইসলাম শাহিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে সারুটিয়া
ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের দুগ্রুপে বিরোধ চলে আসছে। রোববার আধিপত্য নিয়েই সংঘর্ষ
হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয় বলে ওসি জানান।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামীলীগের দুনেতা পরস্পরকে দায়ী করছে। ::.শেষের খবর*