ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি দমন
কমিশনের বিচার করা হবে শনিবার হবিগঞ্জে দেয়া খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের
প্রতিক্রিয়ায় সংস্থাটির চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, তিনিও (খালেদা
জিয়া) আইনের উর্ধে নন। তিনি বলেন, দুদক নিজস্ব আইনে চলে, কে কার সন্তান,
কোন দল করে এসব দেখে না। উল্লেখ্য, শনিবার হবিগঞ্জের নিউফিল্ডে ১৮ জোটের
জনসভায় দেয়া বক্তব্যের শুরুতেই দুদককে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বিরোধীদলীয়
নেতা খালেদা জিয়া বলেন, ‘দুদক বিরোধী দলকে নানাভাবে হয়রানি করছে। কিন্তু
ক্ষমতাবান মন্ত্রী-এমপিদের ধরছে না। আর কিছুদিন পর বিএনপি ক্ষমতায় আসবে।
তখন দুদককে ধরা হবে। কাউকেই ছাড়া হবে না।’ খবর; বিডিএনএন
এ ঘটনার পর রাত আটটার দিকে দুদক চেয়ারম্যানকে ফোন করে তাঁর
প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া)
সম্মানিত ব্যক্তি। তার বক্তব্যটি দায়িত্বশীল বক্তব্য কি-না সে বিষয়ে কিছু
বলতে চাই না। এসময় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে গোলাম রহমান বলেন, দুদকের
আইন অনুযায়ী সিডিউলভুক্ত অপরাধ হলে দুদক কাজ করে। এসময় কে কার সন্তান, কে
কার আত্মীয় তা দেখে না। কে কোন দল করে সেটা দেখে তদন্ত করে না। কারণ কেউ
আইনের উর্ধে নয়। এ সময় রেলের অর্থ কেলেঙ্কারি নিয়ে দফতরবিহীন মন্ত্রী
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুকের ড্রাইভার আলী আজমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা
হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দুদক মামলা করছে। মামলার তদন্ত
চলছে। তদন্ত কমিটি প্রয়োজন মনে করলে যে কাউকে জিজ্ঞাসবাদ করতে পারে।
তদন্ত কমিটি যদি সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন মনে করে
তবে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি। ৭০ লাখ টাকার
গন্তব্য সুরঞ্জিতের বাসা ছিল বলে আজম প্রমাণ দিতে পারলে সুরঞ্জিত
সেনগুপ্তকে আইনের আওতায় আনা হবে। সংবাদ মাধ্যমে আজম খানের বক্তব্য ছাপার
বিষয়ে বলেন, তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি
বছরের ৯ এপ্রিল বিজিবি সদর দফতরে সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের
এপিএস ওমর ফারুকে আটকের পর দুদক তদন্ত শুরু করে। ওই ঘটনায় রেলে ৬টি পদে
নিয়োগের ক্ষেত্রে জালিয়াতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে পূর্বাঞ্চলের সাবেক
জিএম ইউসুফ আলী মৃধা, নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান ও কমিটির সদস্য
সচিব গোলাম কিবরিয়াকে আসামি করে এরই ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ::.বিডিটোয়েন্টিফোরলাইভ*
