মহেশপুরনিউজ২৪:: জামায়াতে ইসলামী আহুত সকাল-সন্ধ্যা হরতালে রাজধানীসহ সারাদেশ ব্যাপক
সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় পুলিশের পিকআপভ্যান, মটরসাইকেল, যাত্রীবাহী
বাসসহ কমপক্ষে ১৫ টি যানবাহনে আগুন দিয়েছ পিকেটাররা। পুলিশের সাথে সংঘর্ষ,
ধাওয়া-পাল্টা, গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপে আহত হয়েছে অনেকে।
সূর্যোদয়ের আগেই রাজপথে নামে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। রাজধানীর বিভিন্ন
এলাকায় ঝটিকা মিছিল ও পিকেটিং করছে তারা। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ব্যস্ততম
ফার্মগেট রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ভোর ৬টা থেকে কিছু সময়ের জন্য দখলে রাখে
তারা। পরে পুলিশ এসে ধাওয়া দিলে ইটপাটকেল বিনিময়ের পর পিকেটাররা ছত্রভংগ
হয়ে যায়। এ সময় ভিআইপি রোডে যানবাহন চলাচল বন্ধধথাকে।
৭টার দিকে রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) হোটেলের সামনে জামায়াত-শিবির মিছিল পিকেটিং করেছে। এখানে অন্তত ১০টি যানবাহন ভাংচুর করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় বড় ধরণের সহিংসতায় পুলিশ গুলি ছুড়েছে। সেখানে্ও গাড়ি ভাংচুর ও আগুন দেয়া হয়েছে। শান্তিনগর, ধানমন্ডী, বাংলামটর, কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, মিরপুরসহ রাজধানীর প্রায় প্রত্যেকটি এলাকায় খন্ড খন্ড মিছিল বের করার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ বাধা দিলে এসব এলাকায় যানবাহন ভাংচুর, আগুন ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৭টার দিকে রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) হোটেলের সামনে জামায়াত-শিবির মিছিল পিকেটিং করেছে। এখানে অন্তত ১০টি যানবাহন ভাংচুর করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় বড় ধরণের সহিংসতায় পুলিশ গুলি ছুড়েছে। সেখানে্ও গাড়ি ভাংচুর ও আগুন দেয়া হয়েছে। শান্তিনগর, ধানমন্ডী, বাংলামটর, কাওরান বাজার, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, মিরপুরসহ রাজধানীর প্রায় প্রত্যেকটি এলাকায় খন্ড খন্ড মিছিল বের করার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ বাধা দিলে এসব এলাকায় যানবাহন ভাংচুর, আগুন ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এদিকে রাজধানীর বাইরে তুলনামুলকভাবে কড়া হরতাল পালনের খবর পাওয়া গেছে।
রাজশাহী, সিলেট, গাজীপুর, লক্ষীপুর, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া ও সাভারে বড় ধরণের
সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। সাভারে যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়ার পর ঢাকা আরিচা
মমাহসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে ৩ জন আহত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের মৌচাকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছ পিকেটাররা।
ঢাকার সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জধানীর আন্তজেলা বাস টার্মিনাল গুলো থেকে সকালে পুলিশ প্রহরায় কয়েকটি বাস ছেড়ে গেলেও যাত্রী না থাকায় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকার বাইরে থেকে দূরপাল্লার কোন বাস ঢাকায় আসতে দেখা যায়নি।
ঢাকার সাথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জধানীর আন্তজেলা বাস টার্মিনাল গুলো থেকে সকালে পুলিশ প্রহরায় কয়েকটি বাস ছেড়ে গেলেও যাত্রী না থাকায় বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকার বাইরে থেকে দূরপাল্লার কোন বাস ঢাকায় আসতে দেখা যায়নি।
