যশোর পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে
দালালচক্র ও পুলিশের হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিকরা। এ সময় দালালদের হামলা
ও পুলিশের লাঠিপেটায় সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
আহত সাংবাদিকরা হলেন যশোর- প্রেসক্লাব সম্পাদক আহসান কবীর, একুশে টেলিভিশনের যশোর প্রতিনিধি শিকদার খালিদ, ক্যামেরাম্যান এস আলম টুটুল, স্পন্দনের স্টাফ রিপোর্টার কাজী আশরাফুল আজাদ ও সাংবাদিক তৌহিদ জামান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর পাসপোর্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাংবাদিকরা হলেন যশোর- প্রেসক্লাব সম্পাদক আহসান কবীর, একুশে টেলিভিশনের যশোর প্রতিনিধি শিকদার খালিদ, ক্যামেরাম্যান এস আলম টুটুল, স্পন্দনের স্টাফ রিপোর্টার কাজী আশরাফুল আজাদ ও সাংবাদিক তৌহিদ জামান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর পাসপোর্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা জানান, পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম হাসান প্রথমে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং দালালদের দিয়ে হামলা চালান।
পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুল জলিলও হামলা করেন সাংবাদিক ও পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষের ওপর।
এবিষয়ে একুশে টেলিভিশনের যশোর প্রতিনিধি শিকদার খালিদ বাংলানিউজকে জানান, যশোর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষের হয়রানি, দালালদের অপতৎপরতা ও অফিসের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনিসহ আরও দু’জন সাংবাদিক যশোর পাসপোর্ট অফিসে যান।
এ সময় পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে ভিডিওচিত্র ধারণ করার সময় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম হাসান সাংবাদিকদের গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে পাসপোর্ট অফিসের চিহ্নিত দালাল ‘গণ্ডার মামুনের’ নেতৃত্বে কয়েকজন এসে সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেন।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর