যশোর অভয়নগরে সন্ত্রাসীদের গুলি ও বোমায় নিহত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
শেখ লুৎফর রহমানের লাশ নিয়ে শুক্রবার সকালে যশোর শহরে মিছিল করেছে জেলা
বিএনপি। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে অভয়নগরে আধাবেলা হরতালও পালন করে স্থানীয়
বিএনপি। কোনো অঘটন ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টার দিকে অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারের ধোপাদি মোড়ে সন্ত্রাসীরা গুলি করে ও বোমা মেরে বিএনপি নেতা শেখ লুৎফর রহমানকে খুন করে। এসময় তিনি নিজ বাড়ির গায়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বর্ষা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বসে ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুটি মোটরসাইকেলে ছয়জন সন্ত্রাসী বর্ষা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ঢুকে খুব কাছ থেকে লুৎফর রহমানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে তারা বাইরে বেরিয়ে দোকানের মধ্যে তিনটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। চলে যাওয়ার সময় ওই দোকানের সামনে যশোর-খুলনা মহাসড়কের ওপর আরও দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসীরা। পরে এলাকাবাসী লুৎফর রহমানকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শুক্রবার সকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লুৎফর রহমানের লাশের ময়না তদন্ত হয়। পরে জেলা বিএনপি নেতারা লাশ নিয়ে শহরে মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে লাশ জেলা বিএনপি অফিস চত্বরে নেয়া হয়। সেখানে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। এছাড়া বিএনপির জেলা শাখা ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
এদিকে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ডাকে গতকাল অভয়নগরে আধাবেলা হরতাল পালিত হয়েছে। হরতাল চলাকালে উপজেলা সদর নওয়াপাড়ার সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলো সকালে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে। হরতালের কোনো অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি। ajkerkagoj
বৃহস্পতিবার রাতে ১০ টার দিকে অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারের ধোপাদি মোড়ে সন্ত্রাসীরা গুলি করে ও বোমা মেরে বিএনপি নেতা শেখ লুৎফর রহমানকে খুন করে। এসময় তিনি নিজ বাড়ির গায়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বর্ষা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে বসে ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুটি মোটরসাইকেলে ছয়জন সন্ত্রাসী বর্ষা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ঢুকে খুব কাছ থেকে লুৎফর রহমানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পরে তারা বাইরে বেরিয়ে দোকানের মধ্যে তিনটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। চলে যাওয়ার সময় ওই দোকানের সামনে যশোর-খুলনা মহাসড়কের ওপর আরও দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসীরা। পরে এলাকাবাসী লুৎফর রহমানকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শুক্রবার সকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লুৎফর রহমানের লাশের ময়না তদন্ত হয়। পরে জেলা বিএনপি নেতারা লাশ নিয়ে শহরে মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে লাশ জেলা বিএনপি অফিস চত্বরে নেয়া হয়। সেখানে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। এছাড়া বিএনপির জেলা শাখা ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
এদিকে বিএনপি নেতা হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ডাকে গতকাল অভয়নগরে আধাবেলা হরতাল পালিত হয়েছে। হরতাল চলাকালে উপজেলা সদর নওয়াপাড়ার সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলো সকালে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করে। হরতালের কোনো অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি। ajkerkagoj
