দেশের অন্যতম বৃহত্তম সিনেমা হল ‘মণিহার’ শনিবার থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে।
এলাকার সন্ত্রাসীদের অব্যাহত সিনেমা হলে হামলা, চাঁদাবাজি ইত্যাদি কারণে সিনেমা হলটি বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি মালিক পক্ষের। ফলে যশোরসহ এ অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের আর কোনো জায়গা থাকলো না।
১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যশোরে দেশের বৃহত্তম সিনেমা হল মণিহার চালু হয়। আধুনিক নির্মাণশৈলির কারণে সিনেমা হলটি সারাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এখানে সব সময় পরিচ্ছন্ন ছবি চালানোয় দর্শকদের কাছে প্রেক্ষাগৃহটির যথেষ্ট কদর ছিল।
মণিহার সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, কয়েক মাস আগে চাঁদার দাবিতে একবার ভাংচুর হয় সিনেমা হলটি। সে সময় কয়েকদিন সিনেমা হলটি বন্ধ ছিল। সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই শহরের আরএর রোডের সন্ত্রাসী তৌফিকুল আজমের নেতৃত্বে কয়েক যুবক সিনেমা হলের ক্যাফেতে হামলা চালায়।
এসময় তারা ক্যাশ লুট করে নিয়ে যায়। পরে হত্যার হুমকি দেয় মনিহার সিনেমা হলের মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠুকে।
এরপর ১৬ জুলাই আবারও সন্ত্রাসী আজম তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে হলের মধ্যে মহড়া দেয়। এ ঘটনায় মালিক কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি থানায় জিডি করেন। কিন্তু পুলিশ এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
ফলে বাধ্য হয়ে চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সিনেমা হলটি বন্ধ করতে হচ্ছে বলে জানান মণিহারের ব্যবস্থাপক শামিম আহমেদ।
এলাকার সন্ত্রাসীদের অব্যাহত সিনেমা হলে হামলা, চাঁদাবাজি ইত্যাদি কারণে সিনেমা হলটি বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে দাবি মালিক পক্ষের। ফলে যশোরসহ এ অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের আর কোনো জায়গা থাকলো না।
১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যশোরে দেশের বৃহত্তম সিনেমা হল মণিহার চালু হয়। আধুনিক নির্মাণশৈলির কারণে সিনেমা হলটি সারাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। এখানে সব সময় পরিচ্ছন্ন ছবি চালানোয় দর্শকদের কাছে প্রেক্ষাগৃহটির যথেষ্ট কদর ছিল।
মণিহার সিনেমা হলের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ বাংলানিউজকে জানান, কয়েক মাস আগে চাঁদার দাবিতে একবার ভাংচুর হয় সিনেমা হলটি। সে সময় কয়েকদিন সিনেমা হলটি বন্ধ ছিল। সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই শহরের আরএর রোডের সন্ত্রাসী তৌফিকুল আজমের নেতৃত্বে কয়েক যুবক সিনেমা হলের ক্যাফেতে হামলা চালায়।
এসময় তারা ক্যাশ লুট করে নিয়ে যায়। পরে হত্যার হুমকি দেয় মনিহার সিনেমা হলের মালিক জিয়াউল ইসলাম মিঠুকে।
এরপর ১৬ জুলাই আবারও সন্ত্রাসী আজম তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে হলের মধ্যে মহড়া দেয়। এ ঘটনায় মালিক কর্তৃপক্ষ কোতোয়ালি থানায় জিডি করেন। কিন্তু পুলিশ এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
ফলে বাধ্য হয়ে চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে সিনেমা হলটি বন্ধ করতে হচ্ছে বলে জানান মণিহারের ব্যবস্থাপক শামিম আহমেদ।