বৃহস্পতিবার রাতে কোটচাঁদপুর হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃত অশ্বীনি হালদারের (৭০) ছেলে উত্তম কুমার হালদার এ অভিযোগ করেন।
তাদের পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে অশ্বীনি হালদারের বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ইয়াকুব আলী মোড়ল তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন। উত্তম হালদারের অভিযোগ ডাঃ মোড়ল তার পিতার রক্তচাপ মাপলেও প্রেসক্রিপশনে তার রক্তচাপ কত ছিল তা লেখেননি। বেলা ১১টায় তাকে ভর্তি করা হলেও দীর্ঘ ১২ ঘন্টায় ডাক্তার তার পিতার কোন খোঁজ খবর নেননি। রাতে পুনরায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মেহজাবিন রোগীর শরীরে মাইলাম নামে একটি ঘুমের ইনজেশন পুশ করেন। ইনজেকশন দেয়ার সাথে সাথেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ ডাক্তারদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোড়লের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ডাক্তারের অবহেলা কিংবা ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়নি। gramerkagoj
তাদের পারিবারিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে অশ্বীনি হালদারের বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব হলে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ ইয়াকুব আলী মোড়ল তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন। উত্তম হালদারের অভিযোগ ডাঃ মোড়ল তার পিতার রক্তচাপ মাপলেও প্রেসক্রিপশনে তার রক্তচাপ কত ছিল তা লেখেননি। বেলা ১১টায় তাকে ভর্তি করা হলেও দীর্ঘ ১২ ঘন্টায় ডাক্তার তার পিতার কোন খোঁজ খবর নেননি। রাতে পুনরায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব হলে কর্তব্যরত ডাক্তার মেহজাবিন রোগীর শরীরে মাইলাম নামে একটি ঘুমের ইনজেশন পুশ করেন। ইনজেকশন দেয়ার সাথে সাথেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ ডাক্তারদের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার কারণেই তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে ডাক্তার ইয়াকুব আলী মোড়লের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ডাক্তারের অবহেলা কিংবা ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়নি। gramerkagoj
