যশোরের
ঝিকরগাছায় বোমা তৈরি করতে গিয়ে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তার
চার সহযোগী। তবে, পুলিশ নিহত সন্ত্রাসী মাহমুদের লাশ উদ্ধার করতে পারেনি।
পুলিশ আহত সন্ত্রাসী বাবুকে আটক করেছে। সে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার
কাদের এর ছেলে। এছাড়া আহতরা হলো, শংকরপুর এলাকার দেলোয়ারের ছেলে লিটন
শার্শার মির্জাপুর গ্রামের আইনালের ছেলে গোলাম রহমান,একই গ্রামের শাহজাহান। এদিকে পুলিশ নিহত মাহমুদের লাশ উদ্ধারে মরিয়া হয়ে অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ
ও এলাকাবাসী জানায়, রোববার দুপুরে মাহুমদ. বাবু ও লিটন ঝিকরগাছার
মির্জাপুর নীল কুঠির বাগানের পার্কের মধ্যে বৃষ্টির মধ্যে বোমা তৈরি
করছিল।
অসাবধানতা বসত: পর পর চারটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মাহমুদ, বাবু ও
লিটন, গোলাম রহমান ও শাহজাহান গুরুতর আহত হয়। আহত’র পর তারা বিভিন্ন
স্থানে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করলে মাহমুদ মারা যায়। এসময় তার লাশ নিয়ে গোপন
স্থানে চলে যায়। পর পর চারটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে
আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কোন ক্লু বা আহতদের উদ্ধার করতে
ব্যর্থ হয়। সন্ধ্যার পর পুলিশ আহত বাবুকে উদ্ধার করেছে। আহত বাবু পুলিশের
কাছে স্বীকার করেছে যে, বৃষ্টির মধ্যে বোমা তৈরি করতে গিয়ে হঠাৎ করেই
বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় বোমার ¯িপ্রন্টারের আঘাতে মাহমুদ ঘটনাস্থলে সে
মারা যায়। তার লাশ নিয়ে অন্য সহযোগীরা পালিয়েছে। সে আর বলেছে, শার্শার
উলাসী এলাকার তরিকুল ইসলাম মিলন নামে এক ব্যক্তি তাদেরকে চুক্তি করে বোমা
তৈরি করতে গিয়েছিল। এ ব্যাপারে শার্শা থানার পুলিশ মাহমুদ নিহত হওয়ার কথা
স্বীকার করে লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে।
খুলনানিউজ