ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় পুলিশ ও শিবিরকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এতে সহকারী পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ ও ১৫ শিবিরকর্মী আহত হন। বুধবার বিকালে উপজেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কোটচাঁদপুর মহেশপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান, এএসআই ফারুক হোসেন, এএসআই মহসিন আলী, কনস্টষ্টবল নাজমুল, আব্দুল মালেক ও আব্দুল আলীম।
পুলিশের লাঠিপেটায় শিবিরের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে ঝিনাইদহ শহর শিবিরের সভাপতি পারভেজ আলম নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।
কোটচাঁদপুর থানার ভার্রপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বুধবার সকাল সাতটার দিকে শহরে শিবির কর্মীরা দলীয় পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলিয়া মাদ্রাসার শিবিরকর্মী শরিফুজ্জামান শাওন, রকিবুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, মাহাবুর রহমান, ইয়াসিন আলী ও আকরাম বিশ্বাসকে আটক করে।
এরপর স্থানীয় মেসে অভিযান চালিয়ে জামায়াতে ইসলামির পোস্টার, লিফলেট, শহরের ম্যাপ, তাদের কর্ম পরিকল্পনার ছক, মোবাইল সিম ও মোবাইলের পুরাতন ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরো জানান, ছয় শিবিরকর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিকালে জামায়াত ও শিবির যৌথভাবে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীরা হামলা চালায়। এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্য আহত হন।
এদিকে ঝিনাইদহ শিবিরের সভাপতি পারভেজ আলম অভিযোগ করেন, তারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশ পেছন থেকে হামলা চালায়। এ ঘটনায় তাদের ১৫ কর্মী আহত হন। পরে জামায়াত ও শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হলে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় কোটচাঁদপুর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে ওসি মিজানুর রহমান জানান।
এতে সহকারী পুলিশ সুপারসহ ছয় পুলিশ ও ১৫ শিবিরকর্মী আহত হন। বুধবার বিকালে উপজেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- কোটচাঁদপুর মহেশপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুস্তাফিজুর রহমান, এএসআই ফারুক হোসেন, এএসআই মহসিন আলী, কনস্টষ্টবল নাজমুল, আব্দুল মালেক ও আব্দুল আলীম।
পুলিশের লাঠিপেটায় শিবিরের ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে ঝিনাইদহ শহর শিবিরের সভাপতি পারভেজ আলম নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।
কোটচাঁদপুর থানার ভার্রপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বুধবার সকাল সাতটার দিকে শহরে শিবির কর্মীরা দলীয় পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলিয়া মাদ্রাসার শিবিরকর্মী শরিফুজ্জামান শাওন, রকিবুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, মাহাবুর রহমান, ইয়াসিন আলী ও আকরাম বিশ্বাসকে আটক করে।
এরপর স্থানীয় মেসে অভিযান চালিয়ে জামায়াতে ইসলামির পোস্টার, লিফলেট, শহরের ম্যাপ, তাদের কর্ম পরিকল্পনার ছক, মোবাইল সিম ও মোবাইলের পুরাতন ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরো জানান, ছয় শিবিরকর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিকালে জামায়াত ও শিবির যৌথভাবে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীরা হামলা চালায়। এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্য আহত হন।
এদিকে ঝিনাইদহ শিবিরের সভাপতি পারভেজ আলম অভিযোগ করেন, তারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশ পেছন থেকে হামলা চালায়। এ ঘটনায় তাদের ১৫ কর্মী আহত হন। পরে জামায়াত ও শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হলে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় কোটচাঁদপুর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে ওসি মিজানুর রহমান জানান।
এদিকে আটক শিবিরের ছয় কর্মীকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার বিকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ::.যশোরনিউজটোয়েন্টিফোর*
