মহেশপুরনিউজ২৪:: সংসদ ও সাংসদদের হেয় করার জন্যই টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারনাশনাল
বাংলাদেশ) প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার
আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট।
তিনি বলেন, “টিআইবি ৪২ জেলার ৬০০ মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে প্রক্রিয়ায় প্রতিবেদন তৈরি করেছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের মানুষ এতটা বোকা নয় যে তারা প্রতিবাদ ছাড়াই সাংসদদের অপরাধমূলক কার্যক্রম সহ্য করে যাবে।”
মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে শুধু সংসদ এবং সাংসদদের হেয় করার জন্য। ৩০০ সাংসদের মধ্যে মাত্র ৯ জন্য ভালো, এটা কি গ্রহণযোগ্য?”
আবদুল হামিদ বলন, “তারা ৪২ জেলার ৬০০ মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। কিন্তু ৬৪ জেলার মানুষের সঙ্গে কথা না বলে কিভাবে বলা যায় ৯৭ ভাগ সাংসদ আপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। এই ৬০০ মানুষ কারা? এরা কি তাদেরই লোক? ১৬ কোটি মানুষের দেশে মাত্র ৬০০ মানুষের সঙ্গে কথা বলে কি এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা যায়? এটা গ্রহণযোগ্য নয়।”
টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের সব বিশৃঙ্খলার জন্য এমপিরাই দায়ী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “যদি এমন হতো, তাহলে জনগণ ও বিরোধী দল মিলে তাদের অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যেত। কিন্তু এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি জানান, সংসদ হিসেবে প্রতিবেদনটি তাকে ক্ষুব্ধ করেছে।
সংসদে ৩ হাজার মিনিট কোরাম সংকটের কথাও অস্বীকার করেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘তারা কিভাবে এটা হিসাব করলো আমি জানি না। ৫ থেকে ১০ মিনিট দেরি এটা স্বাভাবিক ঘটনা। এটা পৃথিবীর সবখানেই ঘটে। কোরাম সংকটের জন্য আমরা কি দুই বা চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। আধা ঘণ্টা লেট হলেই আমি অধিবেশন মুলতবি করি।” ::.বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর*
তিনি বলেন, “টিআইবি ৪২ জেলার ৬০০ মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে প্রক্রিয়ায় প্রতিবেদন তৈরি করেছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের মানুষ এতটা বোকা নয় যে তারা প্রতিবাদ ছাড়াই সাংসদদের অপরাধমূলক কার্যক্রম সহ্য করে যাবে।”
মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে শুধু সংসদ এবং সাংসদদের হেয় করার জন্য। ৩০০ সাংসদের মধ্যে মাত্র ৯ জন্য ভালো, এটা কি গ্রহণযোগ্য?”
আবদুল হামিদ বলন, “তারা ৪২ জেলার ৬০০ মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। কিন্তু ৬৪ জেলার মানুষের সঙ্গে কথা না বলে কিভাবে বলা যায় ৯৭ ভাগ সাংসদ আপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত। এই ৬০০ মানুষ কারা? এরা কি তাদেরই লোক? ১৬ কোটি মানুষের দেশে মাত্র ৬০০ মানুষের সঙ্গে কথা বলে কি এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা যায়? এটা গ্রহণযোগ্য নয়।”
টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের সব বিশৃঙ্খলার জন্য এমপিরাই দায়ী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “যদি এমন হতো, তাহলে জনগণ ও বিরোধী দল মিলে তাদের অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যেত। কিন্তু এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
তিনি জানান, সংসদ হিসেবে প্রতিবেদনটি তাকে ক্ষুব্ধ করেছে।
সংসদে ৩ হাজার মিনিট কোরাম সংকটের কথাও অস্বীকার করেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘তারা কিভাবে এটা হিসাব করলো আমি জানি না। ৫ থেকে ১০ মিনিট দেরি এটা স্বাভাবিক ঘটনা। এটা পৃথিবীর সবখানেই ঘটে। কোরাম সংকটের জন্য আমরা কি দুই বা চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। আধা ঘণ্টা লেট হলেই আমি অধিবেশন মুলতবি করি।” ::.বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর*
