মহেশপুরনিউজ২৪:: অযত্ন আর অবহেলায়
যশোরের ঐতিহাসিক নিয়াজ পার্ক পার্কটির নাম হারিয়ে যেতে বসেছিল লোকমুখ থেকে, মুছে যাচ্ছিল এর
ঐতিহ্য।
যশোরের এই নিয়াজ পার্ক সংস্কার করে দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে। ডিসেম্বর মাসে এই পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানা যায়। যশোর পৌরসভা ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করবে।
যশোর পৌরসভার মেয়র মারুফুল ইসলাম জানান, যশোর শহরকে দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সব বয়সের মানুষের বিনোদনের কথা চিন্তা করে নিয়াজ পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। এজন্য জেলা প্রশাসকের সহায়তা কামনা করে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক এ প্রস্তাবে একমত হয়ে পার্কটি সংস্কারের জন্য যশোর পৌরসভাকে চিঠি দিলে পার্কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়।
মারুফুল ইসলাম আরও জানান, ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পার্কের ভিতর ওয়াকিং ওয়ে বা হাটার রাস্তা করা হচ্ছে। পার্কের মধ্যে বসার জন্য বেঞ্চ তৈরি ও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পশু পাখির ভাষ্কর্য তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া পার্কের মধ্যে থাকবে একটি কফি শপ। যেখানে পার্কে আগতরা চা-নাস্তা করতে পারবেন। রাতে পার্কে আলোর ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, শহরের মানুষের সময় কাটানোর মত জায়গার অভাব। বিনোদন ও বসার জায়গা না থাকায় কিশোর যুবকরা বিপথগামী হচ্ছে। এসব চিন্তা থেকে নিয়াজ পার্কটি সংস্কার করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পার্কটি চালু করা হবে বলে জানান তিনি।
যশোর কালেক্টরেট ভবন চত্বরে অবস্থিত পাম গাছে ঘেরা নিয়াজ পার্কটি নতুন প্রজন্মের কাছে এখন কালেক্টরেট পার্ক হিসেবে পরিচিত। ভৈরব নদের পাড়ে কালেক্টরেট ভবনের পাশেই গড়ে উঠেছিল নিয়াজ পার্ক। বর্তমানে চারিদিকে ঘেরা কালেক্টরেট ভবনের মধ্যে বন্দী থাকা নিয়াজ পার্ক অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পটভূমির নিরব সাক্ষী।
যশোরের এই নিয়াজ পার্ক সংস্কার করে দৃষ্টিনন্দন করা হচ্ছে। ডিসেম্বর মাসে এই পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানা যায়। যশোর পৌরসভা ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করবে।
যশোর পৌরসভার মেয়র মারুফুল ইসলাম জানান, যশোর শহরকে দৃষ্টিনন্দন করতে এবং সব বয়সের মানুষের বিনোদনের কথা চিন্তা করে নিয়াজ পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়। এজন্য জেলা প্রশাসকের সহায়তা কামনা করে একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক এ প্রস্তাবে একমত হয়ে পার্কটি সংস্কারের জন্য যশোর পৌরসভাকে চিঠি দিলে পার্কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়।
মারুফুল ইসলাম আরও জানান, ইতিমধ্যেই সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পার্কের ভিতর ওয়াকিং ওয়ে বা হাটার রাস্তা করা হচ্ছে। পার্কের মধ্যে বসার জন্য বেঞ্চ তৈরি ও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পশু পাখির ভাষ্কর্য তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া পার্কের মধ্যে থাকবে একটি কফি শপ। যেখানে পার্কে আগতরা চা-নাস্তা করতে পারবেন। রাতে পার্কে আলোর ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, শহরের মানুষের সময় কাটানোর মত জায়গার অভাব। বিনোদন ও বসার জায়গা না থাকায় কিশোর যুবকরা বিপথগামী হচ্ছে। এসব চিন্তা থেকে নিয়াজ পার্কটি সংস্কার করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই পার্কটি চালু করা হবে বলে জানান তিনি।
যশোর কালেক্টরেট ভবন চত্বরে অবস্থিত পাম গাছে ঘেরা নিয়াজ পার্কটি নতুন প্রজন্মের কাছে এখন কালেক্টরেট পার্ক হিসেবে পরিচিত। ভৈরব নদের পাড়ে কালেক্টরেট ভবনের পাশেই গড়ে উঠেছিল নিয়াজ পার্ক। বর্তমানে চারিদিকে ঘেরা কালেক্টরেট ভবনের মধ্যে বন্দী থাকা নিয়াজ পার্ক অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পটভূমির নিরব সাক্ষী।
