বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২

কোটচাঁদপুরে ২৩টি স্পটে রমরমা মাদক ব্যবসা পুলিশ নির্বিকারঃ যুবসমাজ ধ্বংসের পথে

মহেশপুরনিউজ২৪:: কোটচাঁদপুর শহরে পুলিশের নাকের ডগার ওপর ২৩টি স্পটে চলছে গাজা, ফেনসিডিল ও হোরোইন সেবন ও বিক্রির রমরমা ব্যবসা। অল্প বয়সের নাবালক ছেলেদের দিয়ে অভিনব কায়দায় মাদক পৌছে দেয়া হচ্ছে সেবনকারীদের কাছে।
অভিযোগে প্রকাশ, এসব স্পট থেকে পুলিশ প্রতি মাসে উৎকোচ আদায় করছে ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। পুলিশের উৎসাহে এসব মাদক সেবন দিনদিন আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে উঠতি বয়সী যুবকরা। জানা গেছে, কোটচাঁদপুর শহরে গাজা বিক্রি হচ্ছে ১১টি স্পটে। সেগুলো হলো পশুহাট পাড়ার আব্দুর রহিমের বাড়ি, গোডাউন পাড়ার নুরু ডাকাত ও বুদোর স্ত্রীর বাড়ি, সুইপার পাড়ার দিলিপ, রবি, কবু ও মনু সুইপারের মেয়ে বড়দি, রমেশ ও গেন্দুর বাড়ি এবং বাজেবামনদহের হযরতের বাড়ি। হোরোইন বিক্রি হচ্ছে বাজার পাড়ার হোটেল দানেশের পুত্র আশরাফ ও আদর্শ পাড়ার ইব্রার বাড়িতে। ফেনসিডিল সেবন ও বিক্রি করা হচ্ছে ১০টি স্পটে। স্পটগুলো হলো টিএন্ডটি পাড়ার কালিয়া, কলেজষ্ট্যান্ড পাড়ার রশিদা, নাজমা, রিজিয়া ও রোজিনার বাড়ি, সলেমানপুর দাস পাড়ার জবেদার বাড়ি, ব্রীজঘাট পাড়ার সেলিনার বাড়ি, সলেমানপুর দাস পাড়ার ঢাকালে খোকার বাড়ি এবং রুদ্রপুরের সেলিম ও রবিউলের বাড়িতে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্পটে মরণনেশা মাদক বিক্রি ও সেবন চলছে এক প্রকার প্রকাশ্যেই। ফলে নৈতিক অবক্ষয় ঘটছে যুব সমাজের। দিনদিন বাড়ছে মাদক সেবন ও বেচাকেনা। শহরের উচ্চ শ্রেণীর লোকজনের সন্তান থেকে শুরু করে রিক্সাওয়ালা পর্যন্ত এসব মাদক সেবনে আসক্ত। পুলিশের সহযোগীতা থাকার কারণে এদের কেউ কিছু বলতে সাহস পায় না। মাদক সেবনের কারণে এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইও বেড়ে গেছে আশংকাজনকভাবে। এ ব্যাপারে ভদ্র সমাজ চরম উদ্বিগ্ন। তারা সংশি­ষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন।