বুধবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১২

যশোর এমএম কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ

এমএম কলেজে গতকাল দুপুরে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় এক কর্মী প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুল�
মহেশপুরনিউজ২৪:: যশোর সরকারি এমএম (মাইকেল মধুসূদন) কলেজে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় এক কর্মী প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছোড়েন। সংঘর্ষের সময় বোমার বিস্ফোরণও হয়। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের ভাষ্যমতে, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মারুফুজ্জামান ওরফে কাঞ্চন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান ওরফে হ্যাটটিকের নেতৃত্বে একটি পক্ষ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল করতে যায়। এ সময় জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি জহিরুল হক ওরফে শিমুলের নেতৃত্বাধীন নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে যেতে বাধা দেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় মারুফুজ্জামান ও শরিফুলের পক্ষের সমর্থক বহিরাগত এক ছাত্রদল কর্মী প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে থাকেন। গুলির শব্দে আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন
শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জেলা ছাত্রদলের একাংশ বিকেলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সহসভাপতি জহিরুল হক বলেন, ‘মারুফুজ্জামান ও শরিফুলসহ যাঁরা ক্যাম্পাসে মিছিল করতে গিয়েছিলেন তাঁদের ছাত্রত্ব অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। অথচ তাঁরা ক্যাম্পাসের আধিপত্য ছাড়তে চান না। এ কারণে নতুন নেতৃত্বপ্রত্যাশীরা তাঁদের ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিতে উদ্যত হন। জবাবে তাঁরা প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।’
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ছাত্রদল নেতা মারুফুজ্জামান ও শরিফুল হাসানসহ কয়েকজনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তাঁরা ফোন ধরেননি।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাসের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। যাঁরা অস্ত্রের মহড়া দিয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’