মহেশপুরনিউজ২৪:: ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কানাইডাঙ্গা সীমান্তে শনিবার ভোরে ভারতীয়
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আনোয়ারুল ইসলাম আনার (৩৫) নামে এক
বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
নিহত আনোয়ারুল মহেশপুর উপজেলার পিপুলবাড়িয়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি একজন গরু ব্যবসায়ী।
মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান, শনিবার ভোর ৪টার দিকে বাংলাদেশী কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী সীমান্ত পার হচ্ছিলেন। এ সময় ভারতের জিতপুর বিএসএফের জওয়ানরা গরু ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে মহেশপুরের কানাইডাঙ্গা সীমান্তের ৫০নং মেইন পিলারের ১৩ এর টি সাব পিলারের কাছে আনোয়ারুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা সীমান্ত এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে কানাইডাঙ্গা গ্রামে নিয়ে আসে।
পুলিশ শনিবার সকাল ১০টার দিকে লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বলে উপ-পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান।
বিজিবির ২৬ ব্যাটালিয়নের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর ক্যাম্পের সুবেদার শেরী আলম জানান, আনোয়ারুল ইসলাম নাভির নিচে ও ডান পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএসএফের কাছে বিজিবি প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বলে সুবেদার শেরী আলম জানান।
বিজিবর যশোর ২৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল আবুল কালাম আজাদ কানাইডাঙ্গা সীমান্তে গরু ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এদিকে, একই ঘটনায় মিনারুল ইসলাম মিনা (২৬) নামে আরেক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে পালিয়ে এসেছেন বলে জাহাঙ্গীর আলম ভাটা নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বাংলানিউজকে জানান। তবে বিজিবি ও মহেশপুর পুলিশ এ ধরনের কোনো খবর তাদের কাছে নেই বলে দাবি করেছেন।
গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মিনা চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর উপজেলার কয়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে।
এদিকে, গত ২৪ ডিসেম্বর সীমান্তে জ্বালানি কুড়াতে গেলে কুসুমপুর গ্রামে ইসলাম মন্ডলের ছেলে ফটিক মন্ডলকে বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে বলে মহেশপুর উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুলফিক্কার আলী জানিয়েছেন। বিএসএফ ফটিককে এখনো পর্যন্ত ফেরৎ দেয়নি বলে জানান তিনি।
নিহত আনোয়ারুল মহেশপুর উপজেলার পিপুলবাড়িয়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি একজন গরু ব্যবসায়ী।
মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান, শনিবার ভোর ৪টার দিকে বাংলাদেশী কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী সীমান্ত পার হচ্ছিলেন। এ সময় ভারতের জিতপুর বিএসএফের জওয়ানরা গরু ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে মহেশপুরের কানাইডাঙ্গা সীমান্তের ৫০নং মেইন পিলারের ১৩ এর টি সাব পিলারের কাছে আনোয়ারুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা সীমান্ত এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে কানাইডাঙ্গা গ্রামে নিয়ে আসে।
পুলিশ শনিবার সকাল ১০টার দিকে লাশ উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বলে উপ-পরিদর্শক আশিকুর রহমান জানান।
বিজিবির ২৬ ব্যাটালিয়নের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর ক্যাম্পের সুবেদার শেরী আলম জানান, আনোয়ারুল ইসলাম নাভির নিচে ও ডান পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিএসএফের কাছে বিজিবি প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বলে সুবেদার শেরী আলম জানান।
বিজিবর যশোর ২৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল আবুল কালাম আজাদ কানাইডাঙ্গা সীমান্তে গরু ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এদিকে, একই ঘটনায় মিনারুল ইসলাম মিনা (২৬) নামে আরেক বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে পালিয়ে এসেছেন বলে জাহাঙ্গীর আলম ভাটা নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বাংলানিউজকে জানান। তবে বিজিবি ও মহেশপুর পুলিশ এ ধরনের কোনো খবর তাদের কাছে নেই বলে দাবি করেছেন।
গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত মিনা চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবন নগর উপজেলার কয়া গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে।
এদিকে, গত ২৪ ডিসেম্বর সীমান্তে জ্বালানি কুড়াতে গেলে কুসুমপুর গ্রামে ইসলাম মন্ডলের ছেলে ফটিক মন্ডলকে বিএসএফ ধরে নিয়ে গেছে বলে মহেশপুর উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুলফিক্কার আলী জানিয়েছেন। বিএসএফ ফটিককে এখনো পর্যন্ত ফেরৎ দেয়নি বলে জানান তিনি।
